তিমিরকথা · গল্প পাঠান
তিমির স্যারের টেবিলে
আপনার রহস্য
রাত তিনটের নিস্তব্ধতায় যে রহস্যটা আপনার মাথায় ঘোরে — শুধু সেটুকুই পাঠিয়ে দিন। পুরো গল্প লিখতে হবে না; কী ঘটেছিল আর কোন সূত্রটা অদ্ভুত, এটুকু বললেই চলবে।
বাছাই করা রহস্য গল্প হয়ে শোনানো হবে তৃতীয় প্রহরে, আপনার পছন্দের নামে।
রহস্য পাঠাতে শুরু করুন
কেমন গল্প চাই
- রহস্য — একটা প্রশ্ন, যার উত্তর লুকিয়ে থাকে শেষ পাতায়।
- থ্রিলার — দম আটকে রাখা মুহূর্ত, পাতা উল্টাতেই হবে।
- ভৌতিক — যা ব্যাখ্যা করা যায় না, কিন্তু অনুভব করা যায়।
- তিমির স্যারের কেস — একটা ঘটনা, কয়েকটা সূত্র। বাকিটা স্যার বুঝে নেবেন।
রহস্যটা আপনার নিজের ভাবনা হতে হবে। আগে কোথাও ছাপা হয়ে থাকলে সেটাও জানিয়ে দিন।
কীভাবে পাঠাবেন — লেখার নিয়ম
পুরো গল্প লিখতে হবে না। শুধু রহস্যটা বলুন — গল্পটা আমরা বুনে নেব।
- কী ঘটেছিল — কোথায়, কখন, কী অদ্ভুত ব্যাপার ঘটল; কয়েক লাইনে।
- কারা জড়িত — মূল মানুষগুলো কে, কার সাথে কার কী সম্পর্ক।
- খটকার সূত্রটা — যে জিনিসটা মেলে না: একটা শব্দ, একটা কথা, একটা জিনিস।
- সমাধান জানা থাকলে আলাদা ঘরে লিখে দিন। না জানলেও চলবে — সেটা তিমির স্যার খুঁজে বের করবেন।
- ছোট হলেও চলবে — কয়েক লাইন থেকে কয়েক পাতা, যতটুকু মাথায় আছে। বাংলা বা Banglish, যেভাবে সুবিধা।
- ভাবনাটা আপনার নিজের হতে হবে — অন্য কোনো বই, সিনেমা বা গল্প থেকে নেওয়া নয়।
একটা উদাহরণ
“পুরনো এক বাড়ির দেয়ালঘড়িটা প্রতি রাতে ঠিক তিনটায় থেমে যায়। সকালে দেখা যায়, বাড়ির কারও না কারও একটা জিনিস হারিয়েছে — অথচ দরজা-জানালা সব ভেতর থেকে বন্ধ।”
ব্যস, এটুকুই যথেষ্ট।
আপনার রহস্য পাঠান
চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা জরুরি।
রহস্যটা পৌঁছে গেছে।
ধন্যবাদ! আপনার চিঠি তিমির স্যারের টেবিলে রাখা হলো। বাছাই হলে আপনার ইমেইলে জানানো হবে।